আমাদের পরিচয় (About Us)
বিশেষায়িত মানসিক হাসপাতাল ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র, ঢাকা, বাংলাদেশ।
লাইফ কেয়ার মানসিক ও মাদকাসক্তি হাসপাতাল
লাইফ কেয়ার মানসিক ও মাদকাসক্তি হাসপাতাল। এখানে রোগীরা সার্বক্ষণিক মানসিক ও শারীরিক সেবা গ্রহণ করেন এবং প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকেন।
মানসিক অসুস্থতা, সিজোফ্রেনিয়া, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, বিষণ্ণতা, ফোবিয়া এবং মাদকাসক্তির মতো জটিল সমস্যা কাটিয়ে উঠতে রোগী ও পরিবারের পাশে থেকে আমরা নিবেদিতভাবে সেবা প্রদান করি। নিরাপদ, সুসংগঠিত ও পরিচ্ছন্ন চিকিৎসা পরিবেশে সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করা হয়।
Md. Mizanur Rahman
লাইফ কেয়ার মানসিক ও মাদকাসক্তি হাসপাতাল
ম্যানেজিং ডিরেক্টরের বার্তা (Managing Director's Message)
“মানসিক অসুস্থতা বা মাদক নির্ভরতা কোনো পাপ বা সামাজিক অভিশাপ নয়—এটি একটি সঠিক চিকিৎসাযোগ্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা। 2016 সালে প্রতিষ্ঠিত লাইফ কেয়ার হাসপাতালের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি মানসিক রোগীকে স্নেহ, সমবেদনা ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসার মাধ্যমে পুনরায় সুস্থ, স্বাভাবিক ও সম্মানিত পারিবারিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। আমরা রোগীর গোপনীয়তা রক্ষা ও পরিবারের মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করি।”
আমাদের পথচলা ও অভিজ্ঞতা
2016 সালে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দীর্ঘ 9 বছর ধরে হাসপাতালটি সুনাম ও সুনামের সাথে পরিচালনা হয়ে আসছে। মানসিক রোগীর প্রতি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি, দক্ষ নার্সিং ও চিকিৎসকের সার্বক্ষণিক উপস্থিতির মাধ্যমে হাজারো রোগী সুস্থ ধারায় ফিরেছেন।
নিবন্ধিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান
লাইফ কেয়ার মানসিক ও মাদকাসক্তি হাসপাতাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের (DGHS) ফ্যাসিলিটি রেজিস্ট্রিতে LIFE CARE PSYCHIATRY & DE ADDICTION HOSPITAL নামে বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক হিসেবে তালিকাভুক্ত একটি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান।
ঠিকানা: 19/3, বাবর রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-1207, বাংলাদেশ। ফোন: 01974-005478, 01786-228693।
আমাদের লক্ষ্য (Mission)
আধুনিক চিকিৎসা, নিয়মিত কাউন্সেলিং ও ভালোবাসাপূর্ণ পরিচর্যার মাধ্যমে প্রতিটি মানসিক রোগীকে স্বাভাবিক ও সুস্থ সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনা।
আমাদের সেবা বৈচিত্র্য (Key Features)
- 24 ঘণ্টা ইনপ্যাশেন্ট মেডিকেল কেয়ার
- NIMH-এর অভিজ্ঞ প্রফেশনাল মনোরোগ বিশেষজ্ঞ টিম
- সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও নিবিড় তদারকি ব্যবস্থা
- সুষম ও পুষ্টিকর 3 বেলা খাবারের সুব্যবস্থা
- রোগী ও পরিবারের কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা